যখন তাহাদের নিকট আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হয় তাহারা তখন বলে, ‘আমরা তো শ্রবণ করিলাম, ইচ্ছা করিলে আমরাও ইহার অনুরূপ বলিতে পারি, ইহা তো শুধু সেকালের লোকদের উপকথা।’ (৮:৩১)
স্মরণ কর, তাহারা বলিয়াছিল, ‘হে আল্লাহ্! ইহা যদি তোমার পক্ষ হইতে সত্য হয়, তবে আমাদের উপর আকাশ হইতে প্রস্তর বর্ষণ কর কিংবা আমাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তি দাও।’ (৮:৩২)
তোমরা তাহাদের ন্যায় হইও না যাহারা দম্ভভরে ও লোক দেখাইবার জন্য স্বীয় গৃহ হইতে বাহির হইয়াছিল এবং লোককে আল্লাহ্র পথ হইতে নিবৃত্ত করে। তাহারা যাহা করে আল্লাহ্ তাহা পরিবেষ্টন করিয়া রহিয়াছেন। (৮:৪৭)
স্মরণ কর, শয়তান যখন তাহাদের কার্যাবলী তাহাদের দৃষ্টিতে শোভন করিয়াছিল এবং বলিয়াছিল, ‘আজ মানুষের মধ্যে কেহই তোমাদের উপর বিজয়ী হইবে না, আমি তোমাদের পাশেই থাকিব;’ অতঃপর দুই দল যখন পরস্পরের সম্মুখীন হইল তখন সে পিছনে সরিয়া পড়িল ও বলিল, ‘তোমাদের সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক রহিল না, তোমরা যাহা দেখিতে পাও না আমি তো তাহা দেখি, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্কে ভয় করি;’ আর আল্লাহ্ শাস্তিদানে কঠোর। (৮:৪৮)
আদেশ করা হইবে, তোমরা উভয়ে নিক্ষেপ কর জাহান্নামে প্রত্যেক উদ্ধত কাফিরকে- (৫০:২৪)
কল্যাণকর কাজে প্রবল বাধাদানকারী, সীমালংঘনকারী ও সন্দেহ পোষণকারী। (৫০:২৫)
যে ব্যক্তি আল্লাহ্র সঙ্গে অন্য ইলাহ্ গ্রহণ করিত তাহাকে কঠিন শাস্তিতে নিক্ষেপ কর। (৫০:২৬)
তাহার সহচর শয়তান বলিবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমি তাহাকে অবাধ্য করি নাই। বস্তুত সে-ই ছিল ঘোর বিভ্রান্ত। (৫০:২৭)
‘উহাদের উপর নিক্ষেপ করিবার জন্য মাটির শক্ত ঢেলা, (৫১:৩৩)
‘যাহা সীমালংঘনকারীদের জন্য চিহ্নিত তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে।’ (৫১:৩৪)
সুতরাং আমি তাহাকে ও তাহার দলবলকে শাস্তি দিলাম এবং উহাদের সমুদ্রে নিক্ষেপ করিলাম, সে তো ছিল তিরস্কারযোগ্য। (৫১:৪০)
এবং নিদর্শন রহিয়াছে ‘আদের ঘটনায়, যখন আমি তাহাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করিয়াছিলাম অকল্যাণকর বায়ু; (৫১:৪১)
আরও নিদর্শন রহিয়াছে সামূদের বৃত্তান্তে, যখন তাহাদেরকে বলা হইয়াছিল, ‘ভোগ করিয়া নাও স্বল্পকাল।’ (৫১:৪৩)
আমি ধ্বংস করিয়াছিলাম ইহাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায়কে, ইহারা তো ছিল সত্যত্যাগী সম্প্রদায়। (৫১:৪৬)

