কাফিররা যখন তোমাকে দেখে তখন উহারা তোমাকে কেবল বিদ্রূপের পাত্ররূপেই গ্রহণ করে। উহারা বলে, ‘এই কি সেই, যে তোমাদের দেব-দেবীগুলির সমালোচনা করে?’ অথচ উহারাই তো ‘রহমান’-এর উল্লেখের বিরোধিতা করে। (২১:৩৬)
তোমার পূর্বেও অনেক রাসূলকেই ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা হইয়াছিল; পরিণামে তাহারা যাহা লইয়া ঠাট্টা-বিদ্রূপ করিত তাহা বিদ্রূপকারীদেরকে পরিবেষ্টন করিয়াছিল। (২১:৪১)
পূর্ববর্তীদের নিকট আমি বহু নবী প্রেরণ করিয়াছিলাম। (৪৩:৬)
এবং যখনই উহাদের নিকট কোন নবী আসিয়াছে উহারা তাহাকে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করিয়াছে। (৪৩:৭)
এইভাবে তোমার পূর্বে কোন জনপদে যখনই আমি কোন সতর্ককারী প্রেরণ করিয়াছি তখন উহার সমৃদ্ধিশালী ব্যক্তিরা বলিত, ‘আমরা তো আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে পাইয়াছি এক মতাদর্শের অনুসারী এবং আমরা তাহাদেরই পদাংক অনুসরণ করিতেছি।’ (৪৩:২৩)
সেই সতর্ককারী বলিত, ‘তোমরা তোমাদের পূর্বপুরুষদেরকে যে পথে পাইয়াছ, আমি যদি তোমাদের জন্য তদপেক্ষা উৎকৃষ্ট পথনির্দেশ আনয়ন করি তবুও কি তোমরা তাহাদের পদাংক অনুসরণ করিবে? তাহারা বলিত, ‘তোমরা যাহাসহ প্রেরিত হইয়াছ আমরা তাহা প্রত্যাখ্যান করি।’ (৪৩:২৪)
যখন উহাদের নিকট সত্য আসিল, উহারা বলিল, ‘ইহা তো জাদু এবং আমরা ইহা প্রত্যাখ্যান করি।’ (৪৩:৩০)
সে উহাদের নিকট আমার নিদর্শনসহ আসিবামাত্র উহারা তাহা লইয়া হাসি-ঠাট্টা করিতে লাগিল। (৪৩:৪৭)
আমি উহাদেরকে এমন কোন নিদর্শন দেখাই নাই যাহা উহার অনুরূপ নিদর্শন অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ নয়। আমি উহাদেরকে শাস্তি দিলাম যাহাতে উহারা প্রত্যাবর্তন করে। (৪৩:৪৮)
উহারা বলিয়াছিল, হে জাদুকর! তোমার প্রতিপালকের নিকট তুমি আমাদের জন্য তাহা প্রার্থনা কর যাহা তিনি তোমার সঙ্গে অঙ্গীকার করিয়াছেন, তাহা হইলে আমরা অবশ্যই সৎপথ অবলম্বন করিব।’ (৪৩:৪৯)
‘আমি তো শ্রেষ্ঠ এই ব্যক্তি হইতে, যে হীন এবং স্পষ্ট কথা বলিতেও অক্ষম! (৪৩:৫২)
‘মূসাকে কেন দেওয়া হইল না স্বর্ণ-বলয় অথবা তাহার সঙ্গে কেন আসিল না ফিরিশ্তাগণ দলবদ্ধভাবে?’ (৪৩:৫৩)
দুর্ভোগ প্রত্যেক ঘোর মিথ্যাবাদী পাপীর, (৪৫:৭)
যে আল্লাহ্র আয়াতসমূহের তিলাওয়াত শুনে অথচ ঔদ্ধত্যের সঙ্গে অটল থাকে যেন সে উহা শুনে নাই। উহাকে সংবাদ দাও মর্মন্তুদ শাস্তির; (৪৫:৮)
যখন আমার কোন আয়াত সে অবগত হয় তখন উহা লইয়া পরিহাস করে। উহাদের জন্য রহিয়াছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি। (৪৫:৯)

